
পিতৃঋণে বাধা যার চিরদিন কাঁধ,
সংসারের ঘানি টানা নিদারুণ দাস।
মাতারে সেবিতে গেলে বধূ রোষে চায়,
প্রিয়ারে তুষিতে গেলে মাতা ব্যথা পায়।
দুই কূল রক্ষণেতে নোয়ায় সে শির,
একাকী কাটায় রাত চোখে ভরা নীর।
মাতা চায় শ্রদ্ধা-ভক্তি, প্রিয়া চায় প্রীতি,
মাঝখানে পুরুষটি ভুলে সুখ-গীতি।
সন্তান চায় সুখ, পিতা তার কূল,
পরের তরেতে ক্ষয়, নিজেরই তা ভুল।
দুঃখের তলে ঢাকা অন্তরের ক্ষত,
অনন্ত তৃষ্ণা লয়ে হাঁটে অবিরত।
পুরুষ কি পেয়েছিল কোনোদিন সুখ?
নীরব যাতনা সহে পুরুষের বুক!
হাসিমুখে সয়ে যায় স্নেহের সে ঋণ,
নীরব ত্যাগের মাঝে কাটে তার দিন।