–
শিবলু গাজী (অ্যাডভোকেট) সিডনি, অস্ট্রেলিয়া:
১. ক্ষমতায় আসার পর দল ও সরকারের মধ্যে অতিরিক্ত overlap:
২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে। কিন্তু দলের অনেক শীর্ষ নেতা এখন মন্ত্রী, এমপি বা সরকারি দায়িত্বে থাকায় দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে মনোযোগ কমেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেপ্টেম্বরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপির ১৮ সদস্যের Standing Committee-এর অধিকাংশই এখন সরকারি দায়িত্বে এবং প্রথম ছয় মাসে Standing Committee-এর মাত্র চারটি বৈঠক হয়েছে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো:
সরকার পরিচালনা এবং দল পরিচালনা : দুইটি দায়িত্বের মধ্যে সাংগঠনিক ভারসাম্য কীভাবে রাখা হবে?
এটি না হলে মাঠের কর্মীরা কেন্দ্র থেকে দূরে সরে যেতে পারেন।
২. মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি : একটি বড় সাংগঠনিক দুর্বলতা:
বর্তমানে বিএনপির ৮২টি জেলা ও মহানগর কমিটির মধ্যে ৭২টির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বলে ডেইলি ষ্টার এর সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ১৯ মার্চ ২০১৬ সালে, যদিও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিল তিন বছর পরপর হওয়ার কথা।
এটি শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে:
১/ নতুন নেতৃত্বের সুযোগ কমে যাওয়া
২/ দীর্ঘদিনের কর্মীদের হতাশা
৩/ পদ-পদবি নিয়ে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা
৪/ স্থানীয় পর্যায়ে factionalism
৫/ কেন্দ্রের সঙ্গে grassroots-এর দূরত্ব
৩. “One Leader, One Post” বাস্তবায়নে ব্যর্থতা:
বিএনপির গঠনতন্ত্রে প্রায় এক দশক আগে “one leader, one post” নীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত দুই ডজন নেতা এখনো একাধিক সাংগঠনিক পদে আছেন। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে তরুণ ও দীর্ঘদিনের grassroots কর্মীদের ওপর। একজন ব্যক্তি যদি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ ধরে রাখেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে:
“তাহলে আমাদের জন্য জায়গা কোথায়?” দীর্ঘদিন মাঠে থাকা কর্মীর কাছে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
৪. Dedicated নেতা-কর্মীদের মূল্যায়নের প্রশ্ন:
যারা কঠিন সময়ে দলের সঙ্গে ছিলেন, মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেপ্তার, রাজনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক ক্ষতি কিংবা সামাজিক চাপ সহ্য করেছেন, তাদের মধ্যে যদি একটি ধারণা তৈরি হয় যে দলের প্রয়োজনের সময় তাদের ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের জায়গা নেই, তাহলে সেটি সাংগঠনিকভাবে খুবই ক্ষতিকর হতে পারে। এই কারণে বিনপিতে আরো সংঙ্কট তৈরি হতে পারে।
২০২৬ সালের বিভিন্ন প্রতিবেদনে grassroots কর্মীদের হতাশা, কমিটি গঠন নিয়ে ক্ষোভ এবং দীর্ঘদিনের সংগঠকদের উপেক্ষিত হওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে। যেমন, ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটি ঘোষণার পর কিছু grassroots নেতা-অ্যাক্টিভিস্ট প্রতিবাদ করেছিলেন এবং দীর্ঘদিনের সংগঠকদের উপেক্ষা করার অভিযোগ করেছিলেন।
এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য করা দরকার:
ক্ষমতার সময় পাশে থাকা আর ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় পাশে থাকা এক জিনিস নয়। একটি রাজনৈতিক সংগঠনের প্রকৃত সাংগঠনিক শক্তি অনেকাংশে বোঝা যায় কঠিন সময়ে তার কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক কতটা টেকসই ছিল তার মাধ্যমে।
৫. অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও factional politics:
সেপ্টেম্বরের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তিনটি জেলায় বিএনপির বিভিন্ন পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ৮৯ জন আহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। আবার সিলেটেও সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে; স্থানীয় কর্মসূচি বর্জনের ঘটনাও ঘটে। TBS-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর পেছনে স্থানীয় নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে টানাপোড়েনের বিষয়ও ছিল। এগুলো দেখায় যে সমস্যা শুধু “কেন্দ্র বনাম grassroots” নয়; grassroots-এর ভেতরেও নেতৃত্ব ও মনোনয়ন নিয়ে প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।
৬. স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন বড় পরীক্ষা:
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিএনপির জন্য সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে পারে। কারণ একই পদে একাধিক বিএনপি নেতা প্রার্থী হতে চাইছেন। সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে , ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেক এলাকায় একাধিক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রচারণা শুরু করেছেন। TBS-ও grassroots নেতাদের মধ্যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে যে স্থানীয় প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যক্তিগত প্রভাব, factional politics এবং অর্থনৈতিক লেনদেন প্রভাব ফেলতে পারে।
এখানে ভুল সিদ্ধান্তের ফল হতে পারে:
একজনকে মনোনয়ন → অন্য কয়েকজন ক্ষুব্ধ → কর্মীরা বিভক্ত → ভোটের মাঠে সংগঠনের সমন্বয় দুর্বল।
৭. তৃণমূলের অভিযোগকে গুরুত্ব না দেওয়া:
এটি সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গাগুলোর একটি। যদি grassroots কর্মীরা বারবার অভিযোগ করেন কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তাদের কথা শোনা না হয়, তাহলে ধীরে ধীরে তারা তিন ধরনের আচরণ করতে পারেন:
১. সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে যাওয়া
২. নিজস্ব faction তৈরি করা
৩. অন্য রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করা
২০২৬ সালে এমন একটি বিষয়ও সামনে এসেছে যে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে independent প্রার্থী হওয়ায় বহিষ্কৃত বহু নেতা-কর্মী পুনরায় বিএনপিতে ফেরার চেষ্টা করছেন। একটি প্রতিবেদনে প্রায় ৩,০০০ নেতা-কর্মীর বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও এসব সংখ্যার দলীয়ভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাই প্রয়োজন। এখানে শাস্তি বনাম পুনর্বাসন—দুটির মধ্যে একটি সাংগঠনিক ভারসাম্য প্রয়োজন হতে পারে।
৮. সবচেয়ে গুরুতর বিষয়: দলের সঙ্গে সরকারের ভাবমূর্তি এক হয়ে যাওয়া:
দলীয় কোনো নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে যদি চাঁদাবাজি, দখল, সহিংসতা বা অন্য অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, জনগণের কাছে অনেক সময় সেটি শুধু ব্যক্তির ঘটনা হিসেবে থাকে না, সরকার ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গেও যুক্ত হয়ে যায়।
Transparency International Bangladesh (TIB) ২০২৬ সালের প্রথম ১০০ দিনের মূল্যায়নে দুর্নীতি প্রতিরোধে স্পষ্ট roadmap-এর ঘাটতি, partisan influence এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অনিয়মের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। একই সময়ে TIB-এর আগের একটি গবেষণায় রাজনৈতিক সহিংসতা ও দলীয় নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতার বিষয়ও উঠে এসেছে। তাই দলীয় কর্মীর অপরাধকে “দলের ব্যাপার” হিসেবে না দেখে ব্যক্তিগত দায় ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা—এটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক প্রশ্ন।
বিনপির আসন্ন বিপদ :
Dedicated নেতা-কর্মীদের অবহেলার করুন পরিণাম কী হতে পারে? দেখুন :
এখানে সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে নীরব ক্ষয়। সব কর্মী প্রকাশ্যে দলত্যাগ করবেন না। বরং অনেকেই হয়তো: “দলে আছি, কিন্তু আগের মতো কাজ করছি না।”এই অবস্থাটি সাংগঠনিকভাবে আরও বিপজ্জনক হতে পারে।
কারণ একজন dedicated কর্মী শুধু একজন ভোটার নন। তিনি সাধারণত:
১। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন
২। দলের খবর ছড়িয়ে দেন
৩। সংকটে মানুষের পাশে থাকেন
৪। কর্মীদের সংগঠিত করেন
৫। স্থানীয় সমস্যার খবর কেন্দ্রে পৌঁছান
৬। নির্বাচনের সময় মাঠে কাজ করেন
৭। দলের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরিতে ভূমিকা রাখেন
এই মানুষগুলো যদি হতাশ হয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান, তাহলে দলের অফিস থাকতে পারে, বড় নেতা থাকতে পারেন, কিন্তু মাঠের সংগঠন দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
আর এর দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি হতে পারে:
কর্মী হারানো → grassroots network দুর্বল হওয়া → factionalism বাড়া → মনোনয়ন নিয়ে সংঘাত → জনগণের আস্থা ক্ষয় → নির্বাচনী ও সাংগঠনিক চাপ বৃদ্ধি।
তাহলে সমাধানের সম্ভাব্য তালিকা কী হতে পারে?
১. দ্রুত National Council করা
দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের বৈধতা ও সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা যেতে পারে। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বিএনপি কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করছে বলেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
২. Expired committees পুনর্গঠন
জেলা, মহানগর, উপজেলা এবং affiliated organisations-এর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পর্যায়ক্রমে নতুন করা।
৩. “One Leader, One Post” বাস্তবায়ন
একজনের হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ না রেখে নতুন ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্য জায়গা তৈরি করা।
৪. Dedicated কর্মীদের মূল্যায়নের একটি transparent system
শুধু অর্থনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব নয়, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কাজ, সংগঠন পরিচালনা, জনসম্পৃক্ততা এবং শৃঙ্খলাকে মূল্যায়নের অংশ করা।
৫. Candidate selection-এর লিখিত criteria
স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের আগে নির্দিষ্ট criteria প্রকাশ করা যেতে পারে:
জনসম্পৃক্ততা, গ্রহণযোগ্যতা,সাংগঠনিক কাজ
সততা ও আইনগত record,স্থানীয় মানুষের মতামত, দলের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা
৬. Grievance/Appeal mechanism
কেউ কমিটিতে পদ না পেলে বা মনোনয়ন না পেলে সরাসরি faction তৈরি না করে একটি নির্দিষ্ট appeal process থাকা।
৭. দলীয় শৃঙ্খলা সবার জন্য সমান করা
শীর্ষ নেতা বনাম grassroots কর্মী, দুই ধরনের disciplinary standard যেন না হয়।
৮. দল ও সরকারের দায়িত্বের স্পষ্ট separation এবং সরকারি পদে থাকা ব্যক্তি এবং দলীয় সাংগঠনিক দায়িত্বের মধ্যে স্বচ্ছ সীমারেখা তৈরি করা।
৯. চাঁদাবাজি/দখল/সহিংসতার অভিযোগে zero-tolerance এবং due process
অভিযোগ হলেই কাউকে অপরাধী ঘোষণা নয়; আবার দলীয় পরিচয়ের কারণে অভিযোগ তদন্ত থেকেও যেন কেউ বাদ না যায়।
১০. Grassroots consultation
প্রতি জেলা/মহানগর থেকে নিয়মিত feedback নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে সাংগঠনিক রিপোর্ট পাঠানো।
শেষ কথা: “শক্তিশালী সংগঠন শুধু বড় নেতা দিয়ে তৈরি হয় না; সংগঠন তৈরি হয় হাজার হাজার নিবেদিত কর্মী, স্থানীয় নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক আস্থা এবং ন্যায়সঙ্গত মূল্যায়নের মাধ্যমে।”
বিএনপির বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টগুলোতে মূলত মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি, grassroots-এর হতাশা, নেতৃত্বের অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ, factional conflict, দল-সরকারের overlap এবং governance/accountability-এর প্রশ্ন বারবার এসেছে।
তবে একই সঙ্গে এটাও উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে বিএনপি নিজেও সাংগঠনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগের কথা বলছে—মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পরিবর্তন, grassroots যোগাযোগ বাড়ানো এবং জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতির খবর এসেছে।
মূল বক্তব্য : *“ক্ষমতায় আসা একটি দলের রাজনৈতিক সাফল্যের শেষ ধাপ নয়; বরং তখনই শুরু হয় সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। যারা দুঃসময়ে পাশে ছিল, তাদের যদি সুসময়ে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সংগঠন বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই এখন প্রয়োজন ব্যক্তি নয়—সংগঠনকে শক্তিশালী করা; পদ নয়—যোগ্যতার মূল্যায়ন করা; বিভাজন নয়—নিবেদিত নেতা-কর্মীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।”*
লেখক : শিবলু গাজী( অ্যাডভোকেট ) সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।
সাবেক – জগন্নাথ ছাত্রদল- জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ( যুগ্ম সম্পাদক ),
সিনিয়র যুগ্ম -সম্পাদক, BNP অস্ট্রেলিয়া, সহ -সাংগঠনিক – স্বেচ্ছাসেবক দল – কেন্দ্রীয় কমিটি।
আমার কথা : আমার লেখাটি বিনপির জন্য একটি বিশ্লেষণাত্মক সম্ভাব্য political future based on recent upsetting by grassroots , নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়।
বর্তমান বিএনপির সাংগঠনিক বাস্তবতা নিয়ে একটি বিস্তৃত, কিন্তু তথ্যভিত্তিক আলোচনা করা যায়।
আমি এখানে “ভুল” বলতে সরাসরি চূড়ান্ত রায় না দিয়ে, বর্তমানে বিএনপিকে নিয়ে যে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলো সংবাদমাধ্যম, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দলীয় সূত্রে উঠে এসেছে সেগুলোকে চিহ্নিত করছি।