
কী অদ্ভুত এই বন্দিদশা!
চারপাশে থইথই জলের প্লাবন,
অথচ তৃষ্ণায় ফেটে চৌচির হয়ে যায়
আমার বুকের পাঁজরের মাটি।
জানলার কাচে আঙুল রাখলে মনে হয়,
তুমি ঠিক ওপাশে দাঁড়িয়ে আছো।
মাঝখানে কাচের এক ফিনফিনে ব্যবধান,
এই কাচ স্পর্শ করা যায়, ভাঙা যায় না।
আমি ক্লান্ত হয়ে ডুবে যাই নিজের ভেতর,
দেখি সেখানেও তুমি বসে আছো —
সব রাস্তাই মিশে যায় স্মৃতির গোলকধাঁধায়।
মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়, সমস্ত দূরত্ব মুছে দিয়ে
ডানার মতো জাপটে ধরি ওই চেনা দিগন্তকে।
আলো আর আঁধারের বোঝাপড়া বড় কড়া,
তুমি ফুরিয়ে যাও আলোয়
আর আমি থেকে যাই দীর্ঘশ্বাসের অন্ধকারে।